উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষায় অবদান রাখায় এজিফান্ড পুরস্কার পেল ব্র্যাক

সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা প্রসারে ভূমিকা রাখায় ২০১৭ সালের এজিফান্ড আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে ব্র্যাক। গত বুধবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের কার্যালয়ে ব্র্যাকের ভাইস চেয়ারপারসন আহমদ মোশতাক রাজা চৌধুরীর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার দেন সৌদি প্রিন্স তালালের পুত্র ও এজিফান্ড-এর বিশেষ প্রতিনিধি প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন তালাল বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। পুরস্কার কমিটির সদস্য স্পেনের রানি সোফিয়াও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ব্র্যাকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আরব ও পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর উন্নয়ন সংস্থা দ্য আরব গালফ প্রোগ্রাম ফর ডেভেলপমেন্ট (এজিফান্ড) ১৯৯৯ সাল থেকে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে। এবারের পুরস্কারের জন্য টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) চতুর্থ লক্ষ্য ‘মানসম্মত শিক্ষা’ বিষয়ে ৭৬টি প্রকল্পের নাম জমা পড়ে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একদল বিশেষজ্ঞের বিবেচনার ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সভায় এজিফান্ডের প্রেসিডেন্ট প্রিন্স তালাল বিন আবদুল আজিজের পক্ষ থেকে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করেন কমিটির সদস্য স্পেনের রানি সোফিয়া।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষায় উন্নয়নের মোট চারটি শ্রেণিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রথম শ্রেণিতে পুরস্কার দেওয়া হয় জাতিসংঘ বা অন্য কোনো বৈশ্বিক সংস্থার বাস্তবায়িত কর্মসূচির জন্য। এই শ্রেণিতে উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষায় অবদান রাখায় চার লাখ ডলার (প্রায় ৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা) পুরস্কার পেয়েছে ব্র্যাক। দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয় জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি সংস্থার বাস্তবায়িত কর্মসূচির জন্য। তিন লাখ ডলারের এই পুরস্কারটি পেয়েছে নেপালের জীবনবিকাশ সমাজ। তৃতীয় শ্রেণিতে সরকারের বাস্তবায়িত শিক্ষা কর্মসূচির জন্য এবার কোনো আবেদন যোগ্য বলে বিবেচিত হয়নি। চতুর্থ শ্রেণিতে ব্যক্তির বাস্তবায়িত শিক্ষা কর্মসূচির জন্য ১ লাখ ডলার পেয়েছেন ভারতের প্রজ্বলা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সুনীতা কৃষ্ণাণ।

এজিফান্ডের পুরস্কার কমিটি আগামী পুরস্কারের বিষয়ও নির্ধারণ করেছে। এসডিজির প্রথম লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে এজিফান্ড আন্তর্জাতিক পুরস্কার ২০১৮-এর বিষয় হচ্ছে ‘দারিদ্র্যমুক্তি, বিশ্ব থেকে সব ধরনের দারিদ্র্য নিরসন’।

সূত্রঃ প্রথমআলো